আমের নাম ব্যানানা ম্যাংগো। যে কারণে এত জনপ্রিয়

বাংলাদেশে দিনে দিনে জনপ্রিয হয়ে উঠছে নানা প্রজাতির বিদেশি আম। কেউ শখে কেউবা আবার বানিজ্যিকভাবে চাষ করছেন এসব বিদেশী আম। তবে, অধিকাংশ বিদেশী জাতের আম শখে বাড়ির আঙিনায় বা ছাদে শখে চাষ করা হলেও বানিজ্যিকভাবে চাষ করতে তা অবশ্যই ভালো ফলন হতে হবে এবং চাহিদা থাকতে হবে। বিদেশী সেসব আমের মধ্যে বাংলাদেশে ভালো ফল দিচ্ছে এমন একটি আমের নাম ব্যনাানা ম্যাংগো।  আমটি বর্তমানে আমাদের পাহাড়ি অঞ্চলে ও আমের রাজধানী খ্যাত চাপাই নবাবগঞ্জে বানিজ্যিকভাবে চাষ হচ্ছে।

আমটি মুলত থাইল্যান্ডের একটি জাত। বাংলাদেশের আবহায়াতে ভালো ফলন হচ্ছে। আমটি মুল বৈশিস্ট হলো।

  • আমটি দেখতে কলার মত আকার ,তাই একে বলা হচ্ছে ব্যানানা ম্যাংগো।
  • আমটি পাকলে রং একেবারে পাকা কলার মত হলুদ। অনেক সময় বেশি রোমে সিন্দুরের মত রংও দেখা যায়।
  • আমটির স্বাদ ও গন্ধ অতুলনীয়। চামরা একেবারে পাতলা। আমের আটি অত্যন্ত পাতলা। আশ কম।
  • পরিপক্ক একটি আমের ওজন ৩০০ গ্রাম থেকে ৩৫০ গ্রাম হয়ে থাকে।
  • জুনের শেষ দিকে ও জুলাইয়ের শুরুতেই পাকে।
  • আমটির মিষ্টতা ভালো। এই আমটি মিষ্টতা আমাদের ল্যাংড়া আমের মত।
  • আমটি যেহেতেু থাইল্যান্ডের শীর্ষ জনপ্রিয় আমারে একটি তাই এই আমের রপ্তানি চাহিদা আছে।
  • আমটির আকার, রং, স্বাদ ও মিষ্টাতার কারণে বিভিন্ন দেশে এরইমধ্যে রপ্তানি হচ্ছে বিভিন্ন দেশে।
  • আমটির চাষ পদ্ধতি অত্যন্ত সহজ। তাই বানিজ্যিকভাবে, বাড়ির আঙনায়, ছাদে বা টবে অনায়াসে চাষ করা যায়।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*