কোয়েল পাখিতেই কিশোরগঞ্জের স্বপনের স্বপ্ন পুরণ

কোয়েল পাখির খামার

কোয়েল পাখির খামার দিয়ে স্বাবলম্বী হয়েছেন কিশোরগঞ্জের স্বপন মিয়া।তার খামারের নাম শাহজালাল কোয়েল ফার্ম অ্যান্ড হ্যাচারি। প্রতিদিনই বিভিন্ন এলাকা থেকে ক্রেতারা তার খামারে ভির করছেন বাচ্চা ও কোয়েল পাখি কিনতে। বেশির ভাগ ক্রেতা আসেন নিজেদের খামারে বাচ্চা লালন-পালন করে বড়ো করে বিক্রি করার জন্য। আর পাইকাররাও আসেন খামার থেকে ক্রয় করে বিভিন্ন হাট-বাজারে পাখি অথবা ডিম খুচরা বিক্রির জন্য। তার খামারের নাম চারদিকে ছড়িয়ে পড়ার কারণে প্রতিদিনই ক্রেতার ভিড় বাড়ছে।

সদর উপজেলার কাটাখালি গ্রামে সাড়ে ছয় শতাংশ জমির ওপর নির্মিত স্বপন মিয়ার কোয়েলের খামার। স্বপনের খামারে গিয়ে দেখা  যায, খামারে স্বপন চারটি শেড নির্মাণ করেছেন। চারটি শেডের একটিতে ইনকিউবেটরে বৈদ্যুতিক বাল্বের তাপে কয়েক হাজার ডিমে তা দেওয়া হচ্ছে। একটি শেডে নতুন জন্ম নেওয়া কয়েক হাজার বাচ্চার পরিচর্যা চলছে। একটিতে প্রায় দুই হাজার মাতৃকোয়েল ডিম দিচ্ছে। অপরটিতে কয়েক হাজার পরিণত বয়সের কোয়েল রয়েছে। স্বপনের এখন খরচ বাদ দিয়ে মাসে আয় হচ্ছে ৩০ থেকে ৫০ হাজার টাকা। বর্তমানে খামারে ২৫ থেকে ৩০ কোয়েল রয়েছে।

স্বপন জানান, কোয়েল পাখির কামার করা অনেক সহজ। তেমন বেশি বিনিয়োগ লাগেনা। তিনি আগে কাপড়ের ব্যবসা করতেন সেখানে লোকসান দেয়ার পর অল্প ‍কিছু পুজি নিয়ে শুরু করেন এই কোয়েল খামার। এখন তার দিন ভালোই চলছে বলে জানন স্বপন। কোয়েলদের সাথেই কাটে তার দিন-রাত।

কোয়েল পাখি পালন খুব সহজ। চাইলে ১০ থেকে ২০ টি কোযেল দিয়ে ঘরের কোনাতেই করা যায় কোয়েলের খামার। একটি কোয়েল দেড় মাস থেকে দুই মাস বয়স হলেই নিয়মিত দেড় বছর পর্যন্ত ডিম দেয়। কোয়েলের ডিম বেশ সুস্বাদু। তাতে কোলস্টেরল নেই। ১০০টি ডিম ১৬০ থেকে ১৮০ টাকায় বিক্রি হয়। কোয়েলের মাংস বেশ সুস্বাদু। তাই চাহিদাও আছে বেশ।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*