ধান নষ্ট হয় শ্রমিক দিয়ে কাটা, মাড়াই, ঝাড়াই ও বস্তাবন্দি করতে গেলে। আর এ ধান নষ্ট হওয়া লক্ষণীয়ভাবে কমিয়ে আনে ‘ইয়ানমার হারভেস্টার’। রোববার (২৬ সেপ্টেম্বর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় প্রতিষ্ঠানটি।
এতে বলা হয়, কমপক্ষে ৫ শতাংশ ধান নষ্ট হয় প্রচলিত পদ্ধতিতে শ্রমিক দিয়ে ধান কাটা, মাড়াই, ঝাড়াই ও বস্তাবন্দি করতে। একই কাজ ইয়ানমার কম্বাইন হারভেস্টার দিয়ে করলে ১ শতাংশের নিচে নেমে আসে ধান নষ্টের পরিমাণ।
বিষয়টি তুলে ধরতে, সম্প্রতি এসিআই মটরসের উদ্যোগে পরীক্ষামূলকভাবে ধান কাটা-মাড়াইয়ের জন্য একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় চুয়াডাঙ্গার হিজলগাড়ি ডিঙ্গেদহ মাঠে।
এসিআই মটরসের উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানে উপস্থিতি ছিলেন স্থানীয় কৃষক, জেলা কৃষি অফিসের কর্মকর্তা ও কয়েকটি সংবাদমাধ্যমের কর্মী।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অনুষ্ঠানে সমান দুই ভাগে ভাগ করা হয় ৪০ শতাংশের এক খণ্ড ধানের জমিকে। এরপর কেটে মাড়াই ও ঝাড়াই করা হয় এক অর্ধাংশের ধান, ৮ শ্রমিক দিয়ে। বাকি অর্ধেক অংশের ধান কাটা হয় ইয়ানমার কম্বাইন হারভেস্টার দিয়ে। এতে দেখা যায়, শ্রমিক দিয়ে ধান কাটতে সময় লেগেছে দুই ঘণ্টা ৩২ মিনিট। ধান পাওয়া গেছে ৪৬৮ দশমিক ২৩ কেজি।
অন্যদিকে মাত্র ১৭ মিনিট সময় লেগেছে ইয়ানমার কম্বাইন হারভেস্টার দিয়ে পুরো কাজটি করতে এবং ৪৯২ দশমিক ৭৯ কেজি ধান পাওয়া গেছে। অর্থাৎ হারভেস্টার দিয়ে এসব কাজে ৮৮ শতাংশ সময় সাশ্রয় হয়েছে। আর ৪ দশমিক ৯ শতাংশ সাশ্রয় হয়েছে ধান।

Be the first to comment